আমরা স্বপ্ন কেন দেখি? ঘুমন্ত মস্তিষ্কের সিনেমা
· পড়তে ৮ মিনিট · ✓ তথ্য যাচাই করা
ছোট উত্তর · ১০ সেকেন্ডে
স্বপ্ন কেন দেখি, এর একটাই চূড়ান্ত উত্তর বিজ্ঞানীরা এখনো জানেন না। সবচেয়ে জীবন্ত স্বপ্ন আসে REM ঘুমে, যখন মস্তিষ্ক প্রায় জাগ্রতের মতো সক্রিয় থাকে। প্রধান ব্যাখ্যাগুলো হলো: মস্তিষ্ক তখন দিনের স্মৃতি গোছায়, আবেগ সামলায় আর বিপদের মহড়া দেয়। স্বপ্ন সুস্থ ঘুমের স্বাভাবিক অংশ।
রাতে ঘুমিয়ে পড়লেন, আর হঠাৎ দেখলেন আপনি উড়ে বেড়াচ্ছেন পদ্মার ওপর দিয়ে, কিংবা পরীক্ষার হলে বসে আছেন অথচ একটা প্রশ্নও পড়া নেই! সকালে উঠে ভাবেন — আমরা স্বপ্ন কেন দেখি? চোখ বন্ধ, শরীর বিছানায়, তবু মাথার ভেতর পুরো একটা সিনেমা চলছে। চলুন, বিজ্ঞান এই ঘুমন্ত মস্তিষ্কের সিনেমা নিয়ে কী বলে, দেখে আসি।
সংক্ষেপে — স্বপ্ন কেন দেখি, বিজ্ঞানীরা কী বলেন
সত্যি কথা দিয়ে শুরু করি: মানুষ স্বপ্ন দেখে কেন, এর একটাই চূড়ান্ত উত্তর বিজ্ঞানীরা এখনো জানেন না। তবে কয়েক দশকের গবেষণায় কয়েকটি শক্ত ব্যাখ্যা দাঁড়িয়েছে। স্বপ্ন সম্ভবত স্মৃতি গোছানো, আবেগ সামলানো আর বিপদের মহড়ার মতো কাজে জড়িত; আবার স্বপ্নের কিছু অংশ হয়তো ঘুমন্ত মস্তিষ্কের এলোমেলো কাজের ‘পার্শ্বফল’।
একটা জিনিস নিশ্চিত: স্বপ্ন দেখা অসুখ নয়, এটা সুস্থ ঘুমের স্বাভাবিক অংশ। প্রায় সব মানুষই প্রতি রাতে স্বপ্ন দেখেন — যাঁরা বলেন ‘আমি কখনো স্বপ্ন দেখি না’, তাঁরাও আসলে দেখেন, শুধু মনে রাখতে পারেন না।
প্রশ্নটার উত্তর খুঁজতে আমাদের ঘুমের ভেতরে একটু ঢুকতে হবে। কারণ স্বপ্ন বুঝতে হলে আগে বুঝতে হবে, ঘুমের সময় মস্তিষ্ক আসলে কী করে। চোখ বন্ধ হলেই মস্তিষ্ক বন্ধ হয়ে যায় না; বরং রাতভর সে কয়েকটি ভিন্ন ‘মোডে’ পালা করে কাজ করে, আর প্রতিটি মোডে স্বপ্নের ধরনও আলাদা হয়। চলুন, সেই মোডগুলো চিনে নিই।
REM ঘুম ও স্বপ্ন
আমাদের ঘুম এক টানা একরকম নয়। রাতভর ঘুম কয়েকটি চক্রে ঘোরে, আর প্রতিটি চক্র প্রায় ৯০ মিনিটের মতো। প্রতিটি চক্রে আমরা হালকা ঘুম থেকে গভীর ঘুমে নামি, তারপর আসে এক বিশেষ ধাপ — REM ঘুম। REM মানে Rapid Eye Movement, অর্থাৎ বন্ধ চোখের পাতার নিচে চোখের মণি দ্রুত এদিক-ওদিক নড়ে।
- 😌হালকা ঘুম
- 🌙আরও গভীর
- 😴গভীর ঘুম
- 🎬REM ঘুম
↺ আবার প্রথম ধাপে ফিরে যায়
REM ঘুমে মস্তিষ্ক প্রায় জেগে থাকার মতোই ব্যস্ত থাকে। অথচ শরীরের বড় পেশিগুলো প্রায় অবশ হয়ে যায়। এটা প্রকৃতির দারুণ এক নিরাপত্তা ব্যবস্থা — নইলে স্বপ্নে দৌড়ালে আমরা সত্যিই বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠতাম! ভোরের দিকে REM ধাপগুলো লম্বা হয়, তাই সবচেয়ে লম্বা আর সিনেমার মতো স্বপ্নগুলো সাধারণত শেষ রাতে আসে।
তবে একটা ভুল ধারণা ভাঙা দরকার: স্বপ্ন শুধু REM ঘুমেই হয় না। অন্য ধাপেও স্বপ্ন হয়, তবে সেগুলো সাধারণত ছোট, কম রঙিন আর কম গল্পময়। মস্তিষ্কের তরঙ্গ মেপে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মাথার পেছনের দিকের একটা ‘হট জোন’ সক্রিয় হলে মানুষ ঘুম ভেঙে বলেন যে তিনি স্বপ্ন দেখছিলেন — ঘুমের ধাপ যেটাই হোক।
- মস্তিষ্ক — REM-এ প্রায় জাগ্রতের মতো ব্যস্ত
স্মৃতি গোছানো, আবেগ সামলানো তত্ত্ব
তাহলে স্বপ্ন কেন দেখি — এর সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাখ্যাগুলো একে একে দেখা যাক।
১. দিনের স্মৃতি গুছিয়ে রাখা
ঘুমের সময় মস্তিষ্ক দিনের অভিজ্ঞতা থেকে দরকারি জিনিস বেছে দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে পাঠায়, অদরকারি জিনিস ঝেড়ে ফেলে। ইঁদুরের ওপর এক বিখ্যাত পরীক্ষায় দেখা গেছে, দিনে গোলকধাঁধায় দৌড়ানোর সময় তাদের মস্তিষ্কের যে স্নায়ুগুলো যে ছন্দে জ্বলেছিল, ঘুমের মধ্যে প্রায় একই ছন্দে সেগুলো আবার জ্বলে ওঠে — যেন ঘুমের মধ্যে দিনটা ‘রিপ্লে’ হচ্ছে। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, এই রিপ্লের টুকরোই আমাদের স্বপ্নে অদ্ভুতভাবে জোড়া লাগে। তাই দিনে যা নিয়ে বেশি ভেবেছেন, রাতে তা স্বপ্নে ফিরে আসে।
২. আবেগের রাতের থেরাপি
REM ঘুমে মস্তিষ্কের আবেগের কেন্দ্র অ্যামিগডালা বেশ সক্রিয় থাকে, অথচ চাপের রাসায়নিক নরঅ্যাড্রেনালিন তখন খুব কম থাকে। কিছু গবেষকের মতে, এই অবস্থায় মস্তিষ্ক কষ্টের স্মৃতিগুলো ‘নিরাপদে’ আবার নেড়েচেড়ে দেখে, যাতে পরদিন সেগুলোর ধার একটু কমে যায়। ‘এক রাত ঘুমিয়ে দেখো, সকালে সব হালকা লাগবে’ — আমাদের বড়দের এই কথাটার পেছনে হয়তো কিছু বিজ্ঞানও আছে।
৩. বিপদের মহড়া
আরেকটি তত্ত্ব বলে, স্বপ্ন হলো এক ধরনের ‘ফ্লাইট সিমুলেটর’। তাড়া খাওয়া, পড়ে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া — স্বপ্নে এসব বিপদ বারবার আসে, কারণ মস্তিষ্ক হয়তো নিরাপদে বিপদ সামলানোর অনুশীলন করে।
৪. এলোমেলো সংকেতের গল্প
পুরোনো একটি তত্ত্ব অনুযায়ী, REM ঘুমে মস্তিষ্কের নিচের অংশ থেকে এলোমেলো সংকেত আসে, আর ওপরের ‘গল্পকার’ অংশ সেগুলো জোড়া লাগিয়ে একটা কাহিনি বানাতে চেষ্টা করে। তাই স্বপ্নে নানির বাড়ি হঠাৎ স্কুলঘর হয়ে যায়, আর আমরা তাতে একটুও অবাক হই না! আধুনিক বিজ্ঞানীরা অনেকেই মনে করেন, এই তত্ত্বগুলো একে অপরের শত্রু নয়, বরং প্রতিটি স্বপ্নের রহস্যের আলাদা আলাদা টুকরো ব্যাখ্যা করে।
স্বপ্ন মনে থাকে না কেন
সকালে চোখ খুলে স্বপ্নটা মনে আছে, দাঁত ব্রাশ করতে করতেই উধাও! স্বপ্ন মনে থাকে না কেন, এর কয়েকটি কারণ বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন।
- ঘুমের সময় নতুন স্মৃতি জমাতে সাহায্য করা কিছু রাসায়নিক, যেমন নরঅ্যাড্রেনালিন, খুব কম থাকে। ফলে স্বপ্ন ‘সেভ’ হয় না।
- গবেষকদের ধারণা, নতুন স্মৃতি তৈরির কেন্দ্র হিপোক্যাম্পাস ঘুম থেকে ওঠার পরও কিছুক্ষণ পুরোপুরি সক্রিয় হয় না।
- স্বপ্নের কাহিনি প্রায়ই এলোমেলো আর ধারাবাহিকতাহীন, তাই মস্তিষ্কের পরিচিত ‘ফাইলে’ সেটা সহজে বসে না।
- REM ঘুমের মাঝখানে হঠাৎ জেগে উঠলে স্বপ্ন বেশি মনে থাকে; গভীর ঘুম থেকে ধীরে উঠলে কম।
জানেন কি?ট্যাপ করে দেখুন
স্বপ্ন মনে রাখতে চান? বিছানার পাশে খাতা-কলম রাখুন। চোখ খুলেই, নড়াচড়া করার আগে, যা মনে আছে লিখে ফেলুন। কয়েক দিনের মধ্যেই দেখবেন আগের চেয়ে বেশি স্বপ্ন মনে থাকছে।
পড়ে যাওয়ার স্বপ্নে চমকে ওঠা কেন
ঘুম আসি-আসি করছে, হঠাৎ মনে হলো সিঁড়ি থেকে পা ফসকে পড়ে যাচ্ছেন — আর পুরো শরীর ঝাঁকি দিয়ে জেগে উঠলেন। এর নাম হিপনিক জার্ক বা ঘুমের ঝাঁকুনি। খুব সাধারণ ঘটনা; হিসাব বলে, প্রায় ৭০% পর্যন্ত মানুষের জীবনে কখনো না কখনো এটা হয়।
এটা আসলে REM-এর স্বপ্ন নয়, ঘটে জেগে থাকা থেকে ঘুমে ঢোকার মুহূর্তে। এর কারণ পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। একটা ব্যাখ্যা হলো, ঘুমে ঢোকার সময় পেশিগুলো হঠাৎ ঢিলে হয়, আর মস্তিষ্কের একটা অংশ সেটাকে ‘পড়ে যাচ্ছি!’ ভেবে ভুল করে, তাই শরীরকে ঝাঁকি দিয়ে ‘বাঁচানোর’ চেষ্টা করে। বেশি ক্যাফেইন, মানসিক চাপ আর ক্লান্তিতে এটা বাড়তে পারে। মাঝে মাঝে হলে চিন্তার কিছু নেই।
প্রাণীরাও কি স্বপ্ন দেখে
ঘুমন্ত বিড়াল বা কুকুরকে খেয়াল করেছেন? কখনো পা নাড়ে, লেজ কাঁপে, মৃদু ‘ভুক’ করে ওঠে। প্রাণীরা মুখে বলতে পারে না, তাই নিশ্চিত হওয়া কঠিন। তবে বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণী আর পাখির মধ্যে REM-এর মতো ঘুম দেখা যায়।
ইঁদুরের সেই গোলকধাঁধা পরীক্ষার কথা মনে আছে? ঘুমের মধ্যে দিনের পথটা ‘রিপ্লে’ হওয়া দেখে অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, অন্তত কিছু প্রাণী নিজেদের মতো করে স্বপ্ন দেখে। আরও অবাক করা ব্যাপার, অক্টোপাস ঘুমের মধ্যে শরীরের রং দ্রুত বদলায় — কেউ কেউ ভাবেন, এটাও হয়তো এক ধরনের স্বপ্ন! অক্টোপাস আসলেই অদ্ভুত প্রাণী; চাইলে পড়ে দেখুন [অক্টোপাসের তিনটি হৃদপিণ্ডের রহস্য](/facts/octopus-three-hearts)। আর প্রাণীরা দুনিয়াকে আমাদের চেয়ে কত আলাদাভাবে দেখে, তার একটা মজার উদাহরণ [মৌমাছির অতিবেগুনি রঙ দেখা](/scheduled/bees-see-ultraviolet)।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
স্বপ্ন কি রঙিন, নাকি সাদাকালো?
বেশিরভাগ মানুষ বলেন তাঁরা রঙিন স্বপ্ন দেখেন। মজার ব্যাপার হলো, সাদাকালো টিভির যুগে বড় হওয়া অনেক মানুষ বেশি সাদাকালো স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন। অর্থাৎ ছোটবেলায় আমরা যা বেশি দেখি, স্বপ্নের ‘রঙ’ও কিছুটা তার ওপর নির্ভর করতে পারে।
জন্মান্ধ মানুষ কি স্বপ্ন দেখেন?
হ্যাঁ, দেখেন। তবে যাঁরা জন্ম থেকেই দেখতে পান না, তাঁদের স্বপ্নে সাধারণত ছবি থাকে না; থাকে শব্দ, স্পর্শ, গন্ধ আর স্বাদ। গবেষণায় দেখা গেছে, তাঁদের স্বপ্নে এই অনুভূতিগুলো বেশি জোরালো থাকে। যাঁরা পরে দৃষ্টি হারিয়েছেন, তাঁরা অনেকে স্বপ্নে ছবিও দেখেন।
স্বপ্ন কি নিয়ন্ত্রণ করা যায় (লুসিড ড্রিম)?
কিছু মানুষ স্বপ্নের মধ্যেই বুঝতে পারেন যে তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন, একে বলে লুসিড স্বপ্ন। ল্যাবে এমন মানুষ চোখের নির্দিষ্ট নড়াচড়া দিয়ে বাইরের গবেষকদের সংকেতও পাঠিয়েছেন। স্বপ্নের ডায়েরি লেখা আর দিনে বারবার ‘আমি কি স্বপ্নে আছি?’ প্রশ্ন করার অভ্যাসে লুসিড স্বপ্নের সম্ভাবনা কিছুটা বাড়ে বলে ধরা হয়।
দুঃস্বপ্ন কেন দেখি?
মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন খুবই স্বাভাবিক, বিশেষ করে মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, জ্বর বা অনিয়মিত ঘুমের সময়ে। একটা ব্যাখ্যা হলো, মস্তিষ্ক নিরাপদ পরিবেশে ভয়ের পরিস্থিতির মহড়া দেয়। তবে দুঃস্বপ্ন যদি নিয়মিত ঘুম নষ্ট করে বা দিনের কাজে প্রভাব ফেলে, একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
শেষ কথা
তাহলে স্বপ্ন কেন দেখি, এক কথায়: ঘুমন্ত মস্তিষ্ক বন্ধ হয়ে যায় না, বরং দিনের স্মৃতি গোছায়, আবেগ সামলায়, আর সেই কাজের ফাঁকে আমাদের জন্য চালায় এক অদ্ভুত সিনেমা। ভালো স্বপ্নের জন্য ভালো ঘুম চাই — আর দুপুরে ভাত খেয়ে ঝিমুনি কেন আসে, সেটাও জানতে পড়ুন [ভাত খেলে ঘুম পায় কেন?](/articles/rice-makes-you-sleepy)। আজ রাতে আপনি কী স্বপ্ন দেখবেন বলে মনে হয়?
নিজে দেখুন
নিজে দেখো: এক সপ্তাহ বিছানার পাশে একটা খাতা রাখো। ঘুম ভাঙতেই, নড়াচড়ার আগে, যা মনে আছে লিখে ফেলো। সপ্তাহ শেষে দেখো — কোন মানুষ, জায়গা বা অনুভূতি বারবার ফিরে আসছে, আর দিনের কোন ঘটনার সাথে মিলছে!
ছোট্ট যাচাই
কতটা মনে আছে, দেখে নিন
১. সবচেয়ে জীবন্ত স্বপ্ন কোন ঘুমে আসে?
২. স্বপ্ন মনে রাখতে চাইলে সবচেয়ে ভালো কী করবেন?
তথ্যসূত্র
- ১NINDS (NIH) — Brain Basics: Understanding Sleep ninds.nih.gov ↗
- ২Siclari et al. 2017, Nature Neuroscience — The neural correlates of dreaming doi.org ↗
- ৩Louie & Wilson 2001, Neuron — Temporally structured replay of awake hippocampal ensemble activity during REM sleep doi.org ↗
- ৪Konkoly et al. 2021, Current Biology — Real-time dialogue between experimenters and dreamers during REM sleep doi.org ↗
- ৫Meaidi et al. 2014, Sleep Medicine — The sensory construction of dreams and nightmare frequency in congenitally blind and late blind individuals doi.org ↗
- ৬Sleep Foundation — Hypnic Jerks sleepfoundation.org ↗
- ৭Sleep Foundation — Dreams sleepfoundation.org ↗
- ৮Murzyn 2008, Consciousness and Cognition — Do we only dream in colour? A comparison of reported dream colour in younger and older adults with different experiences of black and white media doi.org ↗
- ৯Walker & van der Helm 2009, Psychological Bulletin — Overnight therapy? The role of sleep in emotional brain processing doi.org ↗
- ১০Revonsuo 2000, Behavioral and Brain Sciences — The reinterpretation of dreams: threat simulation hypothesis doi.org ↗
- ১১Hobson & McCarley 1977, American Journal of Psychiatry — The brain as a dream state generator (activation-synthesis) doi.org ↗
- ১২Medeiros et al. 2021, iScience — Cyclic alternation of quiet and active sleep states in the octopus doi.org ↗
কৃতজ্ঞতা
- তথ্য যাচাই: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬