মশা কেন শুধু আমাকেই কামড়ায়? বিজ্ঞান যা বলে
· পড়তে ৮ মিনিট · ✓ তথ্য যাচাই করা
ছোট উত্তর · ১০ সেকেন্ডে
মশা কেন শুধু আমাকে কামড়ায়, তার মূল উত্তর তিনটি সংকেত: নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড, শরীরের তাপ আর ত্বকের গন্ধ। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ত্বকে ব্যাকটেরিয়া ও তেলের কারণে কার্বক্সিলিক অ্যাসিড বেশি, মশা তাদের বারবার বেছে নেয়। রক্তের গ্রুপের ভূমিকার প্রমাণ এখনো দুর্বল।
রাতে সবাই একসাথে বসে আছে, অথচ তোমার হাত-পা ভরে গেছে লাল ফোলা দাগে, পাশের জন দিব্যি আরামে। মনে প্রশ্ন জাগে, মশা কেন শুধু আমাকে কামড়ায়? এটা কিন্তু শুধু তোমার মনের ভুল নয়। বিজ্ঞানীরা ল্যাবে মেপে দেখেছেন, কিছু মানুষ সত্যিই মশার কাছে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়, যেন জীবন্ত চুম্বক। চলো খুঁজে দেখি মশা কিভাবে মানুষ খুঁজে পায়, আর কাকে বেশি পছন্দ করে।
সংক্ষেপে: নিঃশ্বাস, গন্ধ আর তাপ
মশার শিকার খোঁজা অনেকটা ধাপে ধাপে চলা এক গোয়েন্দাগিরি। প্রথমে সে দূর থেকে টের পায় আমাদের নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড। এই গ্যাস বাতাসে ভেসে আসলেই মশা বুঝে যায় কাছে কোনো বড় প্রাণী আছে, আর গ্যাসের ঘ্রাণ ধরে উজানে উড়তে থাকে। কাছাকাছি এলে কাজে লাগে গায়ের গন্ধ। ত্বক থেকে বের হওয়া নানা রাসায়নিক মিলে প্রত্যেক মানুষের একটা নিজস্ব গন্ধের ছাপ তৈরি হয়। একদম শেষে মশা খোঁজে শরীরের তাপ আর আর্দ্রতা, যাতে ঠিক কোথায় বসবে বুঝতে পারে। চোখও খানিকটা সাহায্য করে; কার্বন ডাই-অক্সাইড পেলে মশা গাঢ় রঙের জিনিসের দিকে বেশি নজর দেয়।
- 💨নিঃশ্বাসের CO₂
দূর থেকে সংকেত: কাছে কেউ আছে
- 👃গায়ের গন্ধ
ত্বকের রাসায়নিক দিয়ে মানুষ চেনা
- 🌡️তাপ ও আর্দ্রতা
ঠিক কোথায় বসবে বোঝা
- 🦟কামড়
স্ত্রী মশা রক্ত টেনে নেয়
তাই কে বেশি কামড় খাবে, তা নির্ভর করে এই তিন সংকেত কার শরীর থেকে কতটা জোরালো আসছে তার ওপর। যে বেশি জোরে নিঃশ্বাস নেয়, যার শরীর বেশি গরম, যার গায়ের গন্ধ মশার পছন্দের, সে-ই বেশি টার্গেট। এ কারণে ভারী ব্যায়ামের পর ঘামে ভেজা শরীর, বা গর্ভাবস্থার মতো সময়ে, যখন নিঃশ্বাস ও শরীরের তাপ একটু বেশি থাকে, মশা বেশি আসতে পারে বলে গবেষকরা মনে করেন।
শুধু স্ত্রী মশাই কেন কামড়ায়
মজার ব্যাপার হলো, পুরুষ মশা কখনোই কামড়ায় না। পুরুষ আর স্ত্রী দুজনেই সাধারণত ফুলের মধু বা গাছের রস খেয়ে শক্তি পায়। কিন্তু ডিম তৈরি করতে স্ত্রী মশার দরকার প্রচুর প্রোটিন আর লোহা, যা সে পায় রক্ত থেকে। তাই রক্ত খাওয়াটা তার খিদে মেটানো নয়, বরং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুষ্টি জোগাড় করা। একবার পেট ভরে রক্ত খেলে সে কয়েক দিন বিশ্রাম নেয়, ডিম পাড়ে, তারপর আবার শিকার খোঁজে।
স্ত্রী মশার মুখের অংশটা একটা সুচের মতো দেখালেও আসলে এর ভেতরে কয়েকটি সূক্ষ্ম অংশ থাকে। কিছু অংশ ত্বক কাটে, একটা নল দিয়ে রক্ত টানে, আরেকটা নল দিয়ে লালা ঢোকায়। এই লালাতেই থাকে রক্ত জমাট বাঁধা ঠেকানোর উপাদান, আর এই লালার মাধ্যমেই ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার মতো রোগজীবাণু মানুষের শরীরে ঢুকতে পারে।
জানেন কি?ট্যাপ করে দেখুন
মশার অ্যান্টেনা আর মুখের পাশে থাকা ছোট ছোট অংশে অসংখ্য সূক্ষ্ম গন্ধ চেনার রোম আছে। আমাদের নাক যেখানে কিছুই টের পায় না, মশা সেখানে মানুষের গন্ধ আলাদা করে চিনতে পারে।
ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ও গন্ধের ভূমিকা
মশা কাকে বেশি কামড়ায়, এই প্রশ্নের সবচেয়ে জোরালো উত্তর এসেছে গায়ের গন্ধ নিয়ে গবেষণা থেকে। আমাদের ত্বকে কোটি কোটি নিরীহ ব্যাকটেরিয়া বাস করে। তারা ঘাম আর ত্বকের তেল ভেঙে নানা রকম গন্ধযুক্ত রাসায়নিক তৈরি করে। কার ত্বকে কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়া কতটা আছে, তার ওপর নির্ভর করে কার গন্ধ কেমন হবে। ঠিক এই কারণে দুই ভাইবোনের গন্ধও মশার কাছে আলাদা হতে পারে।
২০২২ সালে বিজ্ঞান সাময়িকী Cell-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবককে হাতে নাইলনের মোজা পরিয়ে রেখেছিলেন, যাতে তাদের গায়ের গন্ধ মোজায় লেগে যায়। তারপর এডিস মশাকে দুটো মোজার মধ্যে বেছে নিতে দেওয়া হয়। এভাবে জোড়ায় জোড়ায় বহুবার পরীক্ষা চালানো হয়। ফল ছিল চমকে দেওয়ার মতো: কয়েকজন মানুষ বারবার, এমনকি কয়েক বছর পরেও, মশার প্রিয় হয়ে রইলেন। আর কয়েকজনকে মশা প্রায় এড়িয়েই চলল।
তাদের ত্বকের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, মশার প্রিয় মানুষদের ত্বকে কার্বক্সিলিক অ্যাসিড নামের এক দল রাসায়নিক অনেক বেশি। এই অ্যাসিডগুলো তৈরি হয় ত্বকের তেল আর ব্যাকটেরিয়ার কাজের ফলে। মানে, মশা কেন শুধু আমাকে কামড়ায়, তার একটা বড় উত্তর হতে পারে তোমার ত্বকের নিজস্ব রসায়ন, যা সহজে বদলায় না। তবে গবেষকরা নিজেরাই সাবধান করেছেন: এটা একটা সম্পর্ক দেখিয়েছে, এই অ্যাসিডই একমাত্র কারণ কিনা তা এখনো প্রমাণিত নয়।
আরেকটা মজার তথ্য: ওই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মশার গন্ধ চেনার কিছু জিন বন্ধ করে দেখেছিলেন। তবুও মশা প্রিয় আর অপ্রিয় মানুষকে আলাদা করতে পারছিল। অর্থাৎ মশার মানুষ খোঁজার ব্যবস্থা এত মজবুত যে একটা পথ বন্ধ হলে আরেকটা দিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়। এ জন্যই মশা ঠেকানো এত কঠিন।
- মশার প্রিয় মানুষ১০০ আকর্ষণ (তুলনামূলক)
- মাঝামাঝি৪০ আকর্ষণ (তুলনামূলক)
- মশার অপ্রিয় মানুষ৫ আকর্ষণ (তুলনামূলক)
রক্তের গ্রুপ, কালো জামা: কোনটা সত্য, কোনটা মিথ
রক্তের গ্রুপ ও মশা
অনেকেই বলে, 'ও গ্রুপের রক্ত হলে মশা বেশি কামড়ায়।' ২০০৪ সালে জাপানের একটি ছোট গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, এক প্রজাতির মশা O গ্রুপের মানুষের ওপর একটু বেশি বসেছিল। কিন্তু পরীক্ষাটা ছিল ছোট, আর পার্থক্যটা পরিসংখ্যানে জোরালো ছিল শুধু A গ্রুপের তুলনায়; বড় পরিসরে এটা এখনো নিশ্চিত হয়নি। মশা তো কামড়ানোর আগে রক্ত দেখতে পায় না; সে চেনে গন্ধ আর তাপ। তাই রক্তের গ্রুপ ও মশা নিয়ে সম্পর্কটা এখনো দুর্বল প্রমাণের ওপর দাঁড়িয়ে। একে নিশ্চিত সত্য বলা যায় না।
কালো জামা কি সত্যিই মশা টানে?
এটা অনেকটাই সত্য। গবেষণায় দেখা গেছে, কার্বন ডাই-অক্সাইডের গন্ধ পেলে এডিস মশা লাল, কমলা, কালো আর নীলচে-সবুজ (সায়ান) রঙের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়, অথচ সবুজ, বেগুনি, নীল বা সাদা রঙে তেমন সাড়া দেয় না। আমাদের ত্বকের রঙ যেমনই হোক, মশার চোখে তা লালচে-কমলা আভার মতো ধরা দেয়। তাই সন্ধ্যায় বাইরে গেলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা জামা পরা একটা ছোট কিন্তু কাজের কৌশল।
বাংলাদেশে এডিস ও কিউলেক্স: কে কখন কামড়ায়
আমাদের দেশে ঘরের আশেপাশে মূলত দুই ধরনের মশা বেশি দেখা যায়, আর তাদের অভ্যাস একদম আলাদা। এডিস মশার গায়ে কালো-সাদা ডোরা দাগ থাকে। এরা দিনের বেলায় কামড়ায়, বিশেষ করে সকালের দিকে আর সূর্য ডোবার আগে বিকেলে। এরা জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে: ফুলের টব, ফেলে রাখা টায়ার, ডাবের খোসা, এসির নিচের পানি। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া আর জিকা ছড়ায় এই এডিস মশা। বর্ষাকালে তাই বাংলাদেশে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে।
কিউলেক্স হলো সেই বাদামি রঙের মশা, যারা রাতে কানে ভনভন করে ঘুম নষ্ট করে। এরা সাধারণত সূর্য ডোবার পর থেকে রাতে কামড়ায় আর নোংরা, জমে থাকা পানি যেমন ড্রেন বা ডোবায় বংশবৃদ্ধি করে। কিছু অঞ্চলে কিউলেক্স গোদরোগ বা ফাইলেরিয়া আর জাপানিজ এনকেফালাইটিস ছড়াতে পারে। পাহাড়ি ও সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় আরেক দল মশা, অ্যানোফিলিস, ম্যালেরিয়া ছড়ায়।
মানে, দিনের বেলায় অফিসে বা ক্লাসে পায়ের গোড়ালিতে কামড় খেলে সেটা এডিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, আর রাতে বিছানায় ভনভন মানে সম্ভবত কিউলেক্স। মশা কেন শুধু আমাকে কামড়ায় ভাবার সময় এটাও মনে রেখো: তুমি হয়তো দিনে এডিস আর রাতে কিউলেক্স, দুই দলেরই প্রিয়!
কম কামড় খাওয়ার মূলধারার উপায়
তোমার গায়ের রসায়ন বদলানো কঠিন, কিন্তু মশার সংকেতগুলো আটকানো সহজ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আর মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (CDC) এই পরামর্শগুলো দেয়:
- ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করো, দিনে ঘুমালেও। ছোট শিশু আর বয়স্কদের জন্য এটা আরও জরুরি।
- বাড়ির চারপাশে পানি জমতে দিও না। টব, বালতি, টায়ার, ফ্রিজের ট্রে সপ্তাহে অন্তত একবার খালি করে ঘষে পরিষ্কার করো, বা ঢেকে রাখো।
- সন্ধ্যায় ও ভোরে বাইরে গেলে লম্বা হাতার হালকা রঙের জামা আর ফুলপ্যান্ট পরো।
- অনুমোদিত মশা তাড়ানোর লোশন (যেমন DEET বা পিকারিডিনযুক্ত) মোড়কের নির্দেশনা মেনে ত্বকে লাগাও।
- জানালা-দরজায় নেট লাগাও, আর ব্যায়ামের পর গোসল করে ঘাম ধুয়ে ফেলো।
প্রকৃতির আরও কিছু চমক জানতে চাইলে পড়ে দেখো [মৌমাছি কিভাবে অতিবেগুনি আলো দেখে](/scheduled/bees-see-ultraviolet), [অক্টোপাসের কেন তিনটি হৃদপিণ্ড](/facts/octopus-three-hearts), আর আমাদের শরীর নিয়ে মজার প্রশ্ন [ভাত খেলে ঘুম পায় কেন](/articles/rice-makes-you-sleepy)।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
মশা কেন কানে ভনভন করে?
ভনভন শব্দটা আসলে মশার ডানার আওয়াজ; খুব দ্রুত ডানা ঝাপটায় বলে এই সুর তৈরি হয়। কানের কাছে বেশি শোনা যায়, কারণ মাথা আর মুখের চারপাশেই নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড আর শরীরের তাপ সবচেয়ে বেশি, তাই মশা ঘুরেফিরে সেখানেই আসে।
মশা কামড়ালে চুলকায় কেন?
কামড়ের সময় মশা তার লালা ঢুকিয়ে দেয়, যাতে রক্ত জমাট না বাঁধে। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এই লালাকে বাইরের জিনিস ভেবে হিস্টামিন ছাড়ে। সেই প্রতিক্রিয়াতেই জায়গাটা ফুলে লাল হয় আর চুলকায়। চুলকালে চামড়া ছিঁড়ে সংক্রমণ হতে পারে, তাই ঠান্ডা কিছু চেপে ধরা ভালো।
মশা কতদিন বাঁচে?
প্রজাতি আর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী মশা সাধারণত প্রায় দুই থেকে চার সপ্তাহ বাঁচে, পুরুষ মশা আরও কম। এই অল্প সময়েই একটা স্ত্রী মশা কয়েকবার ডিম পাড়তে পারে।
মশা কি HIV ছড়ায়?
না। গবেষণা বলছে, মশা বা অন্য কোনো পোকা HIV ছড়ায় না। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা CDC জানায়, HIV মানুষের শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ টেকে না, বংশবৃদ্ধিও করতে পারে না। মশা এক মানুষের রক্ত আরেকজনের শরীরে ঢোকায় না, আর HIV মশার শরীরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
শেষ কথা: যারা জিজ্ঞেস করে mosha keno amake kamray, তাদের জন্য উত্তরটা হলো, তুমি একা নও, আর এটা তোমার দোষও নয়। তোমার নিঃশ্বাস, শরীরের তাপ আর ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার তৈরি গন্ধ মিলে মশার কাছে তোমাকে একটু বেশি উজ্জ্বল করে তোলে। এখন জানো কোন সংকেত আটকাতে হবে, তাই মশারি আর জমা পানির দিকে নজর রাখো।
নিজে দেখুন
নিজে দেখো: একটা হাতে মাইক্রোস্কোপ বা শক্তিশালী আতশ কাঁচ দিয়ে মরে পড়ে থাকা একটা মশার মাথা দেখো। পালকের মতো অ্যান্টেনা থাকলে সেটা পুরুষ (কামড়ায় না), সরু অ্যান্টেনা হলে স্ত্রী। গায়ে কালো-সাদা ডোরা থাকলে সেটা এডিস!
ছোট্ট যাচাই
কতটা মনে আছে, দেখে নিন
১. মশা মানুষ বেছে নেয় মূলত কীসের ভিত্তিতে?
২. মশা কামড়ালে জায়গাটা চুলকায় কেন?
তথ্যসূত্র
- ১De Obaldia et al. 2022, Cell — Differential mosquito attraction to humans is associated with skin-derived carboxylic acid levels (PMC) pmc.ncbi.nlm.nih.gov ↗
- ২NIH Research Matters — Skin compounds associated with attractiveness to mosquitoes nih.gov ↗
- ৩Shirai et al. 2004, Journal of Medical Entomology — Landing preference of Aedes albopictus on human skin among ABO blood groups (PubMed) pubmed.ncbi.nlm.nih.gov ↗
- ৪World Health Organization — Dengue and severe dengue fact sheet who.int ↗
- ৫CDC — Preventing mosquito bites cdc.gov ↗
- ৬Alonso San Alberto et al. 2022, Nature Communications — CO2 reveals latent visual attraction in Aedes aegypti (PMC) pmc.ncbi.nlm.nih.gov ↗
- ৭CDC Yellow Book — Mosquitoes, Ticks & Other Arthropods (biting times; garlic/vitamin B ineffective) cdc.gov ↗
- ৮CDC — How HIV spreads (HIV cannot survive long or reproduce outside a human host) cdc.gov ↗
- ৯Banglapedia — Mosquito (vectors of filariasis, Japanese encephalitis, malaria in Bangladesh) en.banglapedia.org ↗
- ১০Alam et al. 2010, Malaria Journal (PMC) — malaria in 13 border districts of Bangladesh pmc.ncbi.nlm.nih.gov ↗
কৃতজ্ঞতা
- তথ্য যাচাই: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬