বঙ্গোপসাগরে কেন এত ঘূর্ণিঝড় হয়?
· পড়তে ৮ মিনিট · ✓ তথ্য যাচাই করা
ছোট উত্তর · ১০ সেকেন্ডে
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় কেন হয়? কারণ এর পানি বছরের বড় সময় প্রায় ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম থাকে, যা ঝড়ের জ্বালানি। বর্ষার আগে (এপ্রিল-মে) আর পরে (অক্টোবর-নভেম্বর) ওপরের বাতাস শান্ত থাকায় ঝড় দানা বাঁধে। আর ফানেলের মতো সরু উত্তর মাথা ও অগভীর নিচু উপকূলের কারণে জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশে অনেক উঁচু হয়।
প্রায় প্রতি বছর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ বা কার্তিক-অগ্রহায়ণে রেডিওতে শোনা যায় ‘সমুদ্রবন্দরসমূহকে বিপদসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে’। প্রশ্নটা তাই খুব স্বাভাবিক: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় কেন হয় এত ঘন ঘন, আর আমাদের উপকূলেই কেন এত ক্ষতি করে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে তিনটি জিনিসে: গরম সাগর, ফানেলের মতো আকৃতির উপসাগর, আর অগভীর, নিচু তীর। চলুন একটা একটা করে বুঝি।
সংক্ষেপে: গরম সাগর, ফানেল আকৃতি, অগভীর তীর
ঘূর্ণিঝড়ের জ্বালানি হলো গরম সমুদ্রের পানি। বঙ্গোপসাগরের উপরিভাগের পানি বছরের বড় অংশ জুড়ে প্রায় ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম থাকে, যা ঘূর্ণিঝড় জন্মানোর মোটামুটি ন্যূনতম শর্ত। তার ওপর উপসাগরটা দক্ষিণে চওড়া আর উত্তরে সরু, একদম ফানেলের মতো। ফানেলের মুখে বসে আছে বাংলাদেশ। ফলে উত্তর দিকে এগোনো ঝড়ের ঠেলে আনা পানি সরু জায়গায় জমে উঁচু হয়ে ওঠে। আর আমাদের উপকূলের সাগর অগভীর, ডাঙা প্রায় সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান উঁচু। এই তিনটি মিলেই বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের জন্য এত ভয়ের।
জানেন কি?ট্যাপ করে দেখুন
পৃথিবীর মোট ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে ঝড় সংখ্যায় খুব বেশি না। কিন্তু ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়গুলোর বড় অংশ এই ছোট্ট উপসাগরেই হয়েছে। কারণ ঝড়ের সংখ্যা না, বিপদ বাড়ায় জলোচ্ছ্বাস আর ঘনবসতি।
ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম: গরম পানি থেকে বিশাল ঘূর্ণি
ঘূর্ণিঝড় কিভাবে তৈরি হয়, সেটা ভাবুন একটা বিশাল চুলার মতো। গরম সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ওপরে ওঠে। ওপরে ঠান্ডায় বাষ্প জমে মেঘ হয়, আর জমার সময় বাষ্প তার লুকানো তাপ ছেড়ে দেয়। এই তাপ বাতাসকে আরও হালকা করে, বাতাস আরও দ্রুত ওপরে ওঠে। নিচে তৈরি হয় নিম্নচাপ, চারপাশ থেকে বাতাস ছুটে আসে সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে।
কিন্তু বাতাস সোজা ঢোকে না। পৃথিবী ঘুরছে বলে চলন্ত বাতাস একটু বেঁকে যায়; একে বলে কোরিওলিস প্রভাব। এই বাঁকের কারণে ঢুকতে থাকা বাতাস ঘুরতে শুরু করে, আর যতক্ষণ নিচে গরম পানির জোগান আছে, ঘূর্ণি ততই শক্তিশালী হয়। বিষুবরেখার একদম কাছে এই বাঁকানো প্রভাব প্রায় শূন্য, তাই ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বিষুবরেখা থেকে কিছুটা দূরে জন্মায়। বঙ্গোপসাগর ঠিক সেই আদর্শ দূরত্বে।
- 🌊গরম সাগর
২৬.৫°সে-এর বেশি
- ☁️বাষ্প ওপরে ওঠে
- ⬇️নিম্নচাপ তৈরি
- 🌀বাতাস ঘুরে ঢোকে
- 🌪️ঘূর্ণিঝড়
আরেকটা শর্ত হলো ওপরের আর নিচের বাতাসের গতি খুব আলাদা না হওয়া। ওপরে প্রবল বাতাস বইলে ঝড়ের মাথা কেটে নিয়ে যায়, ঘূর্ণি দাঁড়াতে পারে না। এই কথাটা মনে রাখুন, কারণ পরের অংশে এটাই মৌসুমের রহস্য খুলে দেবে।
কেন দুই মৌসুমে: বর্ষার আগে ও পরে
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের দুটি মৌসুম: এপ্রিল-মে (বর্ষার আগে) আর অক্টোবর-নভেম্বর (বর্ষার পরে)। ভরা বর্ষায়, জুন থেকে সেপ্টেম্বরে, সাগর গরম থাকলেও বড় ঘূর্ণিঝড় কম হয়। কেন? কারণ বর্ষার সময় ওপরের আকাশে পূর্ব দিক থেকে জোরালো বাতাস বয়, নিচে বয় দক্ষিণ-পশ্চিমা মৌসুমি বায়ু। ওপর-নিচের এই টানাটানি (বিজ্ঞানীদের মতে বাতাসের আর্দ্রতাসহ আরও কিছু কারণের সঙ্গে) ঘূর্ণিকে ঠিকমতো দাঁড়াতে দেয় না; তখন বেশিরভাগ হয় নিম্নচাপ আর টানা বৃষ্টি।
বর্ষা আসার ঠিক আগে আর চলে যাওয়ার ঠিক পরে এই টানাটানি দুর্বল থাকে, অথচ সাগর তখনো গরম। ঠিক এই ফাঁকেই জন্ম নেয় বড় ঝড়গুলো। ইতিহাসের ভয়ংকর ঝড়গুলোর তারিখ দেখলেই বোঝা যায়: ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড় নভেম্বরে, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় ২৯ এপ্রিল, সিডর নভেম্বরে।
১৯৭০
ভোলা ঘূর্ণিঝড়
নভেম্বর
১৯৯১
উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড়
এপ্রিল
২০০৭
সিডর
নভেম্বর
২০০৯
আইলা
মে
২০২০
আম্ফান
মে
জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশে কেন বেশি বিপজ্জনক
জলোচ্ছ্বাসের বিষয়টা বুঝলেই বোঝা যায়, এই ঝড়গুলো কেন এত প্রাণ কেড়েছে। ঝড়ে মানুষ বেশি মারা যায় বাতাসে না, পানিতে। ঝড়ের প্রবল বাতাস সাগরের পানিকে তীরের দিকে ঠেলে নিয়ে আসে, আর ঝড়ের কেন্দ্রে বাতাসের চাপ কম বলে সেখানে পানি একটু ফুলেও ওঠে। এই উঁচু হয়ে আসা পানির দেয়ালই জলোচ্ছ্বাস।
এবার ফানেলের মতো উপকূলের ভূমিকা দেখুন। খোলা সাগরে ঠেলে আনা পানি চারদিকে ছড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু বঙ্গোপসাগরের উত্তর মাথা সরু, আর তার পাশে পূর্ব ও পশ্চিমে ডাঙা। পানি পালানোর জায়গা পায় না, তাই উঁচু হয়ে যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় অগভীর মহীসোপান: গভীর সাগরে পানি নিচ দিয়েও সরে যেতে পারে, অগভীর তলে সেই পথ বন্ধ, তাই পানি ওপরে ওঠে।
তৃতীয় কারণ, আমাদের উপকূলের বড় অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র কয়েক মিটার উঁচু, আর অসংখ্য নদী-খাল দিয়ে পানি অনেক ভেতরে ঢুকে যায়। জোয়ারের সময় ঝড় এলে বিপদ আরও বাড়ে। ১৯৭০ সালের ঝড়ে জলোচ্ছ্বাসই ছিল প্রাণহানির মূল কারণ।
দক্ষিণের উপকূলীয় বিভাগগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিতে
১৯৭০ থেকে আজ: আশ্রয়কেন্দ্র কীভাবে প্রাণ বাঁচাচ্ছে
১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ভোলা ঘূর্ণিঝড়কে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে প্রায় ৩ লাখ মানুষ মারা যান; কিছু হিসাবে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি। তখন পুরো উপকূলে আশ্রয়কেন্দ্র ছিল হাতে গোনা, প্রায় ৪৪টি।
এই ভয়াবহতার পরই গড়ে ওঠে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP): গ্রামে গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক, যাঁরা মাইক আর পতাকা হাতে সংকেত পৌঁছে দেন আর মানুষকে আশ্রয়ে নিয়ে যান। ধীরে ধীরে তৈরি হয় হাজার হাজার উঁচু, পাকা আশ্রয়কেন্দ্র; আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ফেডারেশনের (IFRC) হিসাবে সংখ্যাটা বেড়ে ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। ফলাফল চোখে পড়ার মতো: ২০০৭ সালের সিডর ছিল ভয়ংকর শক্তিশালী, তবু প্রাণহানি ১৯৭০-এর তুলনায় অনেক অনেক কম।
৪৪টি
১৯৭০ সালে আশ্রয়কেন্দ্র
পরে বেড়ে ১৪ হাজারের বেশি (IFRC)
শিক্ষাটা সহজ: ঝড় থামানো যায় না, কিন্তু আগাম সতর্কবার্তা, স্বেচ্ছাসেবক আর কাছের আশ্রয় থাকলে মানুষ বাঁচানো যায়। সিগন্যাল শুনলে দেরি না করে আশ্রয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা। যেমন [বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতেও](/articles/lightning-deaths-bangladesh) আশ্রয় আর সচেতনতাই মূল কথা, ঘূর্ণিঝড়েও তাই। আরেক প্রাকৃতিক ঝুঁকি নিয়ে পড়ুন: [ঢাকায় বড় ভূমিকম্প হলে কী হবে](/articles/dhaka-big-earthquake)।
ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে
সিডর, আইলা, আম্ফান, মোখা: এই নামগুলো কেউ হঠাৎ রাখে না। উত্তর ভারত মহাসাগরের ঝড়ের নাম ঠিক করে WMO আর জাতিসংঘের এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের কমিশনের (ESCAP) একটি প্যানেল, যার সদস্য বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলো। প্রতিটি দেশ আগেই কিছু নাম জমা দেয়, আর ঝড় এলে তালিকা থেকে পালাক্রমে পরের নামটি দেওয়া হয়। নাম ছোট, উচ্চারণে সহজ, আর রাজনীতি-ধর্ম-সংস্কৃতির দিক থেকে নিরপেক্ষ হতে হয়। একবার ব্যবহৃত নাম আর ফিরে আসে না।
নাম দেওয়ার কারণটাও বৈজ্ঞানিক না, ব্যবহারিক। একসঙ্গে দুটি ঝড় থাকলে সংখ্যা বা অক্ষাংশ বলে বোঝানো কঠিন, কিন্তু একটা সহজ নাম রেডিও, টিভি আর মানুষের মুখে মুখে দ্রুত ছড়ায়, সতর্কবার্তাও দ্রুত পৌঁছায়।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণিঝড় উল্টো দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) ঘোরে কেন?
পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে উত্তর গোলার্ধে চলন্ত বাতাস ডান দিকে বেঁকে যায়। নিম্নচাপের কেন্দ্রের দিকে ছুটে আসা বাতাস ডানে বাঁকতে বাঁকতে পুরো ঘূর্ণিটা ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে ঘোরে। দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক উল্টোটা হয়।
সুন্দরবন কীভাবে ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে?
ঘন ম্যানগ্রোভ গাছ আর শিকড়ের জাল বাতাসের গতি আর জলোচ্ছ্বাসের ঢেউয়ের শক্তি কিছুটা কমিয়ে দেয়, অনেকটা প্রাকৃতিক বাঁধের মতো। সিডর আর আইলার সময় সুন্দরবনের পেছনের এলাকা অনেক ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছিল বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। তাই সুন্দরবন বাঁচানো মানে উপকূলের মানুষকেও বাঁচানো।
সাইক্লোন, হারিকেন আর টাইফুনের পার্থক্য কী?
বিজ্ঞানের দিক থেকে তিনটিই একই জিনিস: গরম সাগরে জন্মানো ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। পার্থক্য শুধু জায়গার নামে। আটলান্টিক আর পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে বলে হারিকেন, উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে টাইফুন, আর ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়।
ঝড়ের চোখ শান্ত কেন?
ঘূর্ণির কেন্দ্রে বাতাস এত জোরে ঘোরে যে কেন্দ্রের দিকে আর ঢুকতে পারে না, চারপাশে একটা দেয়াল তৈরি করে। কেন্দ্রে ওপর থেকে বাতাস ধীরে নিচে নামে, তাই মেঘ কম, বাতাস শান্ত, কখনো আকাশও দেখা যায়। কিন্তু চোখ পার হলেই উল্টো দিক থেকে আবার প্রবল ঝড় আসে, তাই এই সময়ে বের হওয়া বিপজ্জনক।
ঘূর্ণিঝড় কেন হয়, এক কথায়?
গরম সাগরের বাষ্প ওপরে উঠে নিম্নচাপ তৈরি করে, আর পৃথিবীর ঘূর্ণনে চারপাশের বাতাস ঘুরে ঘুরে সেখানে ঢোকে। আর বঙ্গোপসাগরের ঝড় কেন এত বিপজ্জনক, তার উত্তর: গরম পানি, ফানেলের মতো আকৃতি আর অগভীর নিচু উপকূল।
প্রকৃতির আরও অবাক করা প্রশ্ন ভালো লাগলে দেখুন: [ইলিশে কি সত্যিই ১৩৮টা কাঁটা?](/facts/hilsa-138-bones)
নিজে দেখুন
পরের বার ঘূর্ণিঝড়ের খবর এলে স্যাটেলাইট ছবিতে মেঘের ঘূর্ণির দিকটা খেয়াল করুন: উত্তর গোলার্ধে সেটা সবসময় ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে ঘোরে। মাঝখানের ফাঁকা গোল জায়গাটাই ঝড়ের চোখ।
ছোট্ট যাচাই
কতটা মনে আছে, দেখে নিন
১. ঝড়ের জ্বালানি হিসেবে বঙ্গোপসাগরের পানি প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম থাকে?
২. বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত কোন দুই মৌসুমে দানা বাঁধে?
তথ্যসূত্র
- ১Practical Meteorology (Stull), LibreTexts — ঘূর্ণিঝড় গঠনের শর্ত (২৬.৫°সে, ৫০ মিটার গভীর গরম পানি) geo.libretexts.org ↗
- ২NOAA JetStream — Tropical cyclone introduction (দুর্বল বায়ু-শিয়ার, বিষুবরেখা থেকে দূরত্ব) noaa.gov ↗
- ৩Akhter et al., EGU 2023 — বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের দুই মৌসুম (এপ্রিল-মে, অক্টোবর-নভেম্বর) meetingorganizer.copernicus.org ↗
- ৪Prothom Alo English — UN acknowledges 1970 cyclone deadliest disaster ever (WMO, ~৩ লাখ) en.prothomalo.com ↗
- ৫The Business Standard — 50 years of cyclone preparedness (৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র, ১৪ হাজারের বেশি IFRC, ১৯৯১-এর ২৯ এপ্রিল, সিডর) tbsnews.net ↗
- ৬WMO — Tropical cyclone naming (WMO/ESCAP প্যানেল, নামের শর্ত) wmo.int ↗
- ৭World Bank — Using mangroves to protect coastal areas (সিডর মডেলে ম্যানগ্রোভ জলোচ্ছ্বাস কমায়) blogs.worldbank.org ↗
- ৮NOAA National Ocean Service — Hurricane vs typhoon vs cyclone oceanservice.noaa.gov ↗
- ৯বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (BMD) bmd.gov.bd ↗
কৃতজ্ঞতা
- তথ্য যাচাই: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬