২৮ অক্টোবর, ২০২৬ · বিজ্ঞান
২০০৯ সালে বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তাঁর নিজস্ব বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালে তাঁর মৃত্যুর পর, এই চিরন্তন ও গভীর বৈজ্ঞানিক-আধ্যাত্মিক বিতর্কটি অন্য এক মাত্রা পায়। এই ব্যঙ্গাত্মক অথচ ভাবুক দ্বি-খণ্ডিত (two-panel) পোস্টটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সৃষ্টির নিয়মে মানুষের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়, অথচ মহাবিশ্ব ও তার পরম বাস্তবতা অবিচল থেকে যায়। বিজ্ঞান বনাম সৃষ্টির এই চিরাচরিত বিতর্ককে তুলে ধরা হয়েছে এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে।

২০০৯ সালে বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তাঁর নিজস্ব বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালে তাঁর মৃত্যুর পর, এই চিরন্তন ও গভীর বৈজ্ঞানিক-আধ্যাত্মিক বিতর্কটি অন্য এক মাত্রা পায়। এই ব্যঙ্গাত্মক অথচ ভাবুক দ্বি-খণ্ডিত (two-panel) পোস্টটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সৃষ্টির নিয়মে মানুষের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়, অথচ মহাবিশ্ব ও তার পরম বাস্তবতা অবিচল থেকে যায়। বিজ্ঞান বনাম সৃষ্টির এই চিরাচরিত বিতর্ককে তুলে ধরা হয়েছে এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে।
- ২০০৯ সালে বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তাঁর নিজস্ব বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালে তাঁর মৃত্যুর পর, এই চিরন্তন ও গভীর বৈজ্ঞানিক-আধ্যাত্মিক বিতর্কটি অন্য এক মাত্রা পায়। এই ব্যঙ্গাত্মক অথচ ভাবুক দ্বি-খণ্ডিত (two-panel) পোস্টটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সৃষ্টির নিয়মে মানুষের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়, অথচ মহাবিশ্ব ও তার পরম বাস্তবতা অবিচল থেকে যায়। বিজ্ঞান বনাম সৃষ্টির এই চিরাচরিত বিতর্ককে তুলে ধরা হয়েছে এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে।
আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান!
Facebook-এ কমেন্ট করোআরও জানো
পরের প্রশ্ন →
সূর্যের শক!


