১৮ অক্টোবর, ২০২৬ · বিজ্ঞান
মঙ্গলের চাঁদ ফোবোস কোথা থেকে এল? কাল রাতে উত্তর খুঁজতে যাচ্ছে জাপান

মঙ্গল গ্রহের দুটো চাঁদ আছে। বড়টার নাম ফোবোস। কিন্তু এটা দেখতে আমাদের গোল চাঁদের মতো নয়, একটা এবড়োখেবড়ো আলুর মতো! লম্বায় মাত্র প্রায় ২৭ কিলোমিটার, ঢাকা থেকে সাভারের দূরত্বের কাছাকাছি।
- 🌑 রহস্যটা কী?
- প্রায় ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বিজ্ঞানীরা দুটো ধারণা নিয়ে তর্ক করছেন:
- ১. ফোবোস আসলে একটা গ্রহাণু, যাকে মঙ্গল তার মাধ্যাকর্ষণে আটকে ফেলেছে। এর রং আর গঠন কালো কার্বনসমৃদ্ধ গ্রহাণুর মতো।
- ২. অনেক আগে মঙ্গলে বিশাল কিছু আছড়ে পড়েছিল, আর ছিটকে যাওয়া টুকরো জোড়া লেগে ফোবোস তৈরি হয়েছে।
- দূর থেকে ছবি তুলে এর উত্তর পাওয়া যায়নি। তাই দরকার আসল মাটি।
- 🚀 জাপানের মিশন MMX
- জাপানের মহাকাশ সংস্থা JAXA-র MMX মহাকাশযান বাংলাদেশ সময় ২০ অক্টোবর রাত প্রায় ১টা ৪১-এ (আবহাওয়া ঠিক থাকলে) H3 রকেটে রওনা দেবে।
- • ২০২৭ সালে ফোবোসে নামবে।
- • অন্তত ১০ গ্রাম মাটি তুলবে: একটা যন্ত্র ২ সেন্টিমিটারের বেশি গভীর থেকে, আরেকটা গ্যাসের ঝাপটা দিয়ে উপর থেকে।
- • সাথে আছে ফ্রান্স-জার্মানির ছোট্ট রোভার IDEFIX, ওজন ৩০ কেজির কম। ফোবোসের খুব কম মাধ্যাকর্ষণে চাকা দিয়ে চলার পরীক্ষা করবে।
- • মাটি নিয়ে পৃথিবীতে ফিরবে ২০৩১ সালে। মঙ্গলের কোনো চাঁদ থেকে মাটি আনার এটাই হবে প্রথম চেষ্টা।
- ⏳ ফোবোসের ভবিষ্যৎ আরও অবাক করা
- ফোবোস দিনে তিনবার মঙ্গলকে ঘুরে আসে। আর প্রতি ১০০ বছরে প্রায় ১.৮ মিটার করে মঙ্গলের কাছে চলে আসছে। NASA বলছে, প্রায় ৫ কোটি বছর পর এটা হয় মঙ্গলের বুকে আছড়ে পড়বে, নয়তো ভেঙে গিয়ে মঙ্গলের চারপাশে শনির মতো একটা বলয় তৈরি করবে!
- 💡 আমাদের জন্য কেন জরুরি?
- ফোবোস যদি মঙ্গলের ছিটকে যাওয়া অংশ হয়, তাহলে এর মাটিতে কোটি কোটি বছর আগের মঙ্গলের টুকরো থাকতে পারে। মানে, মঙ্গলে না গিয়েও মঙ্গলের ইতিহাস পড়া যাবে।
👇 আপনার কী মনে হয়: ফোবোস আটকে পড়া গ্রহাণু, নাকি মঙ্গলেরই ভাঙা টুকরো? কমেন্টে লিখুন!
Facebook-এ কমেন্ট করোআরও জানো
পরের প্রশ্ন →
বজ্রপাত সূর্যের চেয়েও গরম!


