২৩ অক্টোবর, ২০২৬ · বিজ্ঞান
চাঁদের বুকে বরফ! কিন্তু সেখানে তো বৃষ্টি নেই—এই বরফ এল কোথা থেকে?

আরও অবাক করা ব্যাপার হলো, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কিছু গভীর গর্তে কোটি কোটি বছর ধরে সূর্যের আলো পৌঁছায়নি!
- চাঁদ তার অক্ষের ওপর খুব সামান্য হেলে আছে। তাই মেরুর কাছে সূর্য আকাশের একদম নিচ দিয়ে ঘোরে। গভীর crater-এর তলায় আলো ঢুকতে পারে না। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে।
- এই অন্ধকার গর্তগুলো তাই বিশাল প্রাকৃতিক freezer—বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন “cold trap”।
- Comet, asteroid ও ছোট মহাজাগতিক ধূলিকণা চাঁদে পানি নিয়ে আসতে পারে। আবার সূর্য থেকে আসা hydrogen চাঁদের মাটির oxygen-এর সঙ্গে বিক্রিয়া করেও পানি বা hydroxyl তৈরি করতে পারে। সেই অণুগুলোর কিছু পৃষ্ঠের ওপর ঘুরতে ঘুরতে অন্ধকার crater-এ পৌঁছে জমে যায়। একবার সেখানে আটকা পড়লে কোটি বছরেও সহজে গলে বা উড়ে যেতে পারে না।
- ভারতের Chandrayaan-1 চাঁদের পানির গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ দিয়েছিল। এখন নতুন পর্যবেক্ষণে দক্ষিণ মেরুর ছায়াঘেরা অঞ্চলের মাটির নিচেও সম্ভাব্য বরফের সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। তবে ঠিক কতটা বরফ আছে এবং কোন উৎস থেকে কতটা এসেছে—রহস্যটি এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।
- এই বরফ ভবিষ্যতে মানুষকে পানির পাশাপাশি oxygen এবং rocket fuel তৈরিতেও সাহায্য করতে পারে। অর্থাৎ চাঁদের অন্ধকার গর্তই হয়তো ভবিষ্যতের Moon base-এর সবচেয়ে মূল্যবান জায়গা!
- তোমার হাতে যদি চাঁদের বরফের এক টুকরো দেওয়া হয়—পানি বানাবে, rocket fuel বানাবে, নাকি জাদুঘরে রেখে দেবে? মজার উত্তরটা কমেন্টে বলো! 😄
- রহস্যটি ভালো লাগলে react দাও এবং তোমার মহাকাশপ্রেমী বন্ধুর সঙ্গে share করো।
আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান!
Facebook-এ কমেন্ট করোআরও জানো
পরের প্রশ্ন →
শনির বলয় এপাশ থেকে ওপাশ প্রায় ২,৭০,০০০ কিমি চওড়া… কিন্তু পুরু কতটা?


