চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়? চাঁদ লাল হয় কেন?
· পড়তে ৮ মিনিট · ✓ তথ্য যাচাই করা
ছোট উত্তর · ১০ সেকেন্ডে
চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন সূর্য, পৃথিবী আর চাঁদ প্রায় এক সরলরেখায় আসে এবং মাঝখানে থাকা পৃথিবীর ছায়া পূর্ণিমার চাঁদের ওপর পড়ে। পূর্ণ গ্রহণে চাঁদ লাল দেখায়, কারণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নীল আলো ছড়িয়ে দেয় আর লাল আলো বাঁকিয়ে ছায়ার ভেতরে চাঁদের গায়ে পাঠায়।
পূর্ণিমার রাত। হঠাৎ দেখলেন গোল চাঁদের এক কোণ থেকে কেউ যেন কামড় দিচ্ছে, আর ঘণ্টাখানেক পর পুরো চাঁদটা হয়ে গেল তামাটে-লাল! চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়, আর চাঁদ লাল হয় কেন — এই দুটো প্রশ্নের উত্তর আসলে একটাই মজার গল্প: সেই রাতে চাঁদের গায়ে পড়ছে পৃথিবীর নিজের ছায়া, আর সেই ছায়াকে রাঙাচ্ছে পৃথিবীর সব সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের আলো। চলুন, ধাপে ধাপে খুলে দেখি।
সংক্ষেপে — চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়: পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদ
চাঁদের নিজের কোনো আলো নেই। আমরা যে চাঁদের আলো দেখি, সেটা আসলে সূর্যের আলো, চাঁদের মাটিতে পড়ে আমাদের দিকে ফিরে আসছে। এখন ভাবুন, সূর্য, পৃথিবী আর চাঁদ যদি প্রায় একই সরলরেখায় চলে আসে, আর পৃথিবী থাকে মাঝখানে — তাহলে কী হবে? পৃথিবী সূর্যের আলো আটকে দেবে, আর তার লম্বা ছায়া গিয়ে পড়বে চাঁদের ওপর। এটাই চন্দ্রগ্রহণ।
এ কারণেই চন্দ্রগ্রহণ সবসময় পূর্ণিমায় হয়। পূর্ণিমাতেই চাঁদ থাকে পৃথিবীর ঠিক উল্টো দিকে, সূর্যের বিপরীতে। আর যেহেতু তখন পৃথিবীর যে অর্ধেকে রাত, সেখান থেকে চাঁদ দেখা যায়, তাই একটা চন্দ্রগ্রহণ পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক এলাকা থেকে একসাথে দেখা যায়। সূর্যগ্রহণ যেখানে একটা সরু পথ থেকে দেখা যায়, চন্দ্রগ্রহণ সেখানে অনেক বেশি ‘গণতান্ত্রিক’।
- ☀️সূর্য আলো দেয়
- 🌍পৃথিবী মাঝখানে
- 🌑ছায়া পড়ে মহাশূন্যে
- 🌕চাঁদ ছায়ায় ঢোকে
পূর্ণ, আংশিক ও উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ
পৃথিবীর ছায়া আসলে দুই স্তরের। মাঝখানে গাঢ় অংশ, যেখানে সূর্যের সরাসরি আলো একেবারেই পৌঁছায় না — একে বলে প্রচ্ছায়া (umbra)। তার চারপাশে একটা হালকা বলয়, যেখানে সূর্যের একটা অংশ ঢাকা পড়ে — এটা উপচ্ছায়া (penumbra)। চাঁদ ছায়ার কোন অংশ দিয়ে যায়, তার ওপর নির্ভর করে গ্রহণের ধরন।
পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ
চাঁদ পুরোটাই গাঢ় প্রচ্ছায়ার ভেতরে ঢুকে যায়। এই সময়টাতেই চাঁদ লালচে বা তামাটে হয়ে ওঠে — যাকে লোকে বলে ‘রক্তচাঁদ’ বা ব্লাড মুন। রক্তচাঁদ কি আলাদা কোনো চাঁদ? না, এটা পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণেরই ডাকনাম।
আংশিক চন্দ্রগ্রহণ
চাঁদের শুধু একটা অংশ প্রচ্ছায়ায় ঢোকে। মনে হয় চাঁদের এক পাশ থেকে কেউ কামড়ে নিয়েছে, ছায়ার কিনারাটা বাঁকা। এই বাঁকা কিনারা দেখেই প্রাচীন গ্রিক চিন্তাবিদ অ্যারিস্টটল যুক্তি দিয়েছিলেন যে পৃথিবী গোল — কারণ সবদিক থেকে গোল ছায়া দিতে পারে শুধু গোলক।
উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ
চাঁদ শুধু হালকা উপচ্ছায়ার ভেতর দিয়ে যায়। চাঁদ একটু ম্লান, একটু ধূসর দেখায় — এত সামান্য যে অনেকে খেয়ালই করেন না। পঞ্জিকায় ‘গ্রহণ’ লেখা দেখে আকাশে তাকিয়ে কিছু না পেলে, সম্ভবত সেটা উপচ্ছায়া গ্রহণ ছিল।
চাঁদ লাল কেন — পৃথিবীর সব সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের আলো
এবার আসল রহস্য। পৃথিবীর ছায়ায় তো সূর্যের সরাসরি আলো পৌঁছায় না, তাহলে চাঁদ পুরো কালো হয়ে যায় না কেন? উত্তরটা আমাদের বায়ুমণ্ডল।
সূর্যের আলো পৃথিবীর কিনারা ঘেঁষে বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় একটু বেঁকে যায়, আর ভেতরের দিকে, অর্থাৎ ছায়ার দিকে ঢুকে পড়ে। কিন্তু পথে বাতাসের কণা নীল আলোকে চারদিকে ছিটকে দেয় — একই কারণে দিনের আকাশ নীল। থেকে যায় লাল আর কমলা আলো। সেই লালচে আলোই গিয়ে পড়ে চাঁদের গায়ে।
- ☀️সাদা সূর্যালো
- 🌍বায়ুমণ্ডলে ঢোকে
- 🔵নীল আলো ছড়িয়ে যায়
- 🔴লাল আলো বেঁকে যায়
- 🌕চাঁদ লাল হয়
সবচেয়ে সুন্দর কল্পনাটা হলো এটা: ঠিক সেই মুহূর্তে কেউ যদি চাঁদে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর দিকে তাকাত, দেখত সূর্যকে ঢেকে রাখা একটা কালো পৃথিবী, যার চারপাশ ঘিরে জ্বলছে একটা লাল-কমলা আলোর আংটি। সেই আংটিটা হলো পৃথিবীর চারদিকে একসাথে ঘটতে থাকা সব সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত। মানে রক্তচাঁদের গায়ে আপনি আসলে দেখছেন সারা পৃথিবীর ভোর আর গোধূলির আলো!
জানেন কি?ট্যাপ করে দেখুন
প্রতিটা পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের রং একটু আলাদা — কখনো উজ্জ্বল কমলা, কখনো গাঢ় ইটের মতো লাল, কখনো প্রায় কালচে। বায়ুমণ্ডলে ধুলো বা বড় আগ্নেয়গিরির ছাই বেশি থাকলে চাঁদ বেশি অন্ধকার দেখায়। তাই জ্যোতির্বিদরা গ্রহণের রং দেখেই বায়ুমণ্ডল কতটা পরিষ্কার, তার একটা আন্দাজ পান।
প্রতি পূর্ণিমায় চন্দ্রগ্রহণ হয় না কেন? (৫° হেলানো কক্ষপথ)
প্রতি মাসেই তো পূর্ণিমা হয়। তাহলে প্রতি মাসে চন্দ্রগ্রহণ হয় না কেন? কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের সাথে একই সমতলে নেই, প্রায় ৫ ডিগ্রি হেলানো।
একটা থালার ওপর আরেকটা থালা একটু কাত করে রাখার কথা ভাবুন। দুই থালার কিনারা শুধু দুটো বিন্দুতে মেলে। বাকি জায়গায় একটা অন্যটার ওপরে বা নিচে। চাঁদও বেশিরভাগ পূর্ণিমায় পৃথিবীর ছায়ার একটু ওপর বা নিচ দিয়ে পার হয়ে যায়, ছায়া ছোঁয় না। শুধু যখন পূর্ণিমাটা ওই দুই ছেদবিন্দুর (নোড) কাছে পড়ে, তখনই সূর্য-পৃথিবী-চাঁদ সত্যিকারের এক লাইনে আসে আর গ্রহণ হয়।
চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়, সেটা বুঝতে শুধু ছায়া জানলেই চলে না, এই ৫ ডিগ্রির হেলানটাও জানতে হয় — উত্তরের মূল চাবি এটাই। হেলান না থাকলে প্রতি মাসেই একবার রক্তচাঁদ দেখতাম, আর ব্যাপারটা হয়তো এতটা বিশেষ লাগত না।
এ কারণে প্রতি বছর কমপক্ষে দুটো, সর্বোচ্চ পাঁচটা পর্যন্ত চন্দ্রগ্রহণ হয় (উপচ্ছায়াসহ), আর কোনো এক জায়গা থেকে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ মেলে আরও কম। তাই খবর পেলে সুযোগটা হাতছাড়া করবেন না। মজার ব্যাপার হলো, একই নিয়মে সূর্যগ্রহণও হয় — তখন পূর্ণিমার বদলে অমাবস্যায় চাঁদ এসে পড়ে সূর্য আর পৃথিবীর মাঝখানে। তাই একটা চন্দ্রগ্রহণের প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বা পরে প্রায়ই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও একটা সূর্যগ্রহণও ঘটে।
বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপে চন্দ্রগ্রহণ কীভাবে উপভোগ করবেন
চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে দেখা যায় কি? অবশ্যই — চন্দ্রগ্রহণ দেখতে কোনো যন্ত্র লাগে না, খালি চোখেই দারুণ দেখা যায়। তবে একটা সাধারণ বাইনোকুলার হাতে থাকলে অভিজ্ঞতাটা একদম বদলে যায়। কয়েকটা সহজ টিপস:
- গ্রহণ শুরুর আগেই ছাদে বা খোলা মাঠে চলে যান, যেখান থেকে পূর্ব বা দক্ষিণ আকাশ খোলা।
- ১০ গুণের একটা বাইনোকুলারে ছায়ার কিনারা ধীরে ধীরে ক্রেটারের ওপর দিয়ে সরে যাওয়া দেখুন।
- ছোট টেলিস্কোপে কম ম্যাগনিফিকেশন (৩০–৫০ গুণ) ব্যবহার করুন, যাতে পুরো চাঁদ এক ফ্রেমে থাকে।
- পূর্ণতার সময় চাঁদের রং খেয়াল করুন: কিনারা আর মাঝখানের রং প্রায়ই আলাদা।
- লাল চাঁদ ম্লান হয়ে গেলে আশপাশের তারাগুলো হঠাৎ বেশি দেখা যায় — সেটাও উপভোগ করুন।
চাঁদ দেখার আরও কৌশল জানতে পড়ুন [টেলিস্কোপে চাঁদ আর গ্রহ দেখার গাইড](/telescope/15-moon-planets), আর ঢাকার আকাশে আর কী কী দেখা যায় জানতে [ঢাকা থেকে কী দেখবেন](/guides/what-to-see-from-dhaka)। চাঁদকে আরও কাছ থেকে চিনতে ঘুরে আসুন আমাদের [চাঁদের যাত্রা](/journey/moon) থেকে।
প্রচলিত বিশ্বাস বনাম বিজ্ঞান
আমাদের দেশে চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে অনেক কথা প্রচলিত — গ্রহণের সময় খাওয়া যাবে না, রান্না করা খাবার ফেলে দিতে হবে, গর্ভবতী মায়েরা বাইরে বের হলে বা কিছু কাটলে শিশুর ক্ষতি হবে। এসব বিশ্বাস অনেক পুরোনো, আর অনেক পরিবারে সম্মানের সাথে মানা হয়।
বিজ্ঞান কী বলে? চন্দ্রগ্রহণে আসলে কেবল একটা ছায়া চাঁদের ওপর দিয়ে সরে যায়। কোনো বিশেষ রশ্মি নেমে আসে না, খাবারে কোনো বিষ তৈরি হয় না, আর এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই যে চন্দ্রগ্রহণ গর্ভের শিশুর কোনো ক্ষতি করে। এই সময় খাওয়া-দাওয়া, কাজকর্ম, ঘুম — সবই অন্য যেকোনো রাতের মতোই নিরাপদ। বরং গর্ভবতী মায়ের জন্য দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকাটাই অস্বস্তিকর হতে পারে, তাই স্বাস্থ্য নিয়ে যেকোনো প্রশ্নে চিকিৎসকের পরামর্শই মানুন।
প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে দেখা যায় কি? দেখা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, পুরোপুরি নিরাপদ। চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে, বাইনোকুলারে বা টেলিস্কোপে যেভাবে খুশি দেখতে পারেন, কোনো বিশেষ চশমা লাগে না। আমরা আসলে চাঁদে পড়া সূর্যের প্রতিফলিত আলো দেখি, যা পূর্ণিমার চেয়েও ম্লান। শুধু সূর্যগ্রহণে বিশেষ ফিল্টার ছাড়া তাকানো বিপজ্জনক — দুটো গুলিয়ে ফেলবেন না।
চন্দ্রগ্রহণ কতক্ষণ থাকে?
পুরো গ্রহণ, অর্থাৎ চাঁদ ছায়ায় ঢোকা থেকে বের হওয়া পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা লাগতে পারে। এর মধ্যে চাঁদ পুরো লাল হয়ে থাকার অংশ (পূর্ণতা) সবচেয়ে দীর্ঘ হলে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে, তবে প্রতিবার আলাদা।
বাংলাদেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে কিনা কীভাবে জানব?
গ্রহণের সময় যেখানে রাত আর চাঁদ দিগন্তের ওপরে, সেখান থেকেই দেখা যায় — এ কারণে পৃথিবীর রাতের দিকের প্রায় সব জায়গা থেকে একসাথে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়। NASA-র গ্রহণ তালিকা বা timeanddate.com-এ শহর হিসেবে ঢাকা লিখলে স্থানীয় সময়সহ জানা যায়।
চন্দ্রগ্রহণের ছবি তুলব কীভাবে?
মোবাইল বা ক্যামেরা ট্রাইপড বা কোনো স্থির জায়গায় রাখুন। অটো মোড চাঁদকে সাদা ঝাপসা গোল বানিয়ে ফেলে, তাই এক্সপোজার কমিয়ে দিন। লাল চাঁদ অনেক ম্লান, তাই পূর্ণতার সময় এক্সপোজার আবার বাড়াতে হবে। বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপের আইপিসে মোবাইলের ক্যামেরা ঠেকিয়েও চমৎকার ছবি আসে।
প্রতি পূর্ণিমায় গ্রহণ হয় না কেন?
কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের তুলনায় প্রায় ৫ ডিগ্রি হেলানো। বেশিরভাগ পূর্ণিমায় চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার একটু ওপর বা নিচ দিয়ে চলে যায়। শুধু যখন পূর্ণিমাটা দুই কক্ষপথের ছেদবিন্দুর কাছে পড়ে, তখনই গ্রহণ হয়।
নিজে দেখুন
পরের চন্দ্রগ্রহণের রাতে ছাদে উঠুন। প্রথমে খালি চোখে ছায়ার বাঁকা কিনারা দেখুন, তারপর বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপে রক্তচাঁদের রং আর ক্রেটারগুলো খেয়াল করুন। বাইনোকুলার আর টেলিস্কোপ পাবেন আমাদের [দোকানে](/shop)।
ছোট্ট যাচাই
কতটা মনে আছে, দেখে নিন
১. পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণে চাঁদ লাল দেখায় কেন?
২. চন্দ্রগ্রহণ দেখা নিয়ে কোনটা সত্যি?
তথ্যসূত্র
- ১NASA Science — Eclipses and the Moon (types, why red, ~5° tilt, visible from half of Earth) science.nasa.gov ↗
- ২NASA Space Place — What is an eclipse? (sunrises & sunsets, night side) spaceplace.nasa.gov ↗
- ৩NASA Goddard (Espenak) — Lunar eclipse page & 2021–2030 table eclipse.gsfc.nasa.gov ↗
- ৪NASA Goddard (Espenak) — Five Millennium Catalog (2–5 eclipses/yr, longest totality 106.6 min) eclipse.gsfc.nasa.gov ↗
- ৫NASA Goddard (Espenak) — Visual appearance of lunar eclipses (Aristotle, volcanic aerosols, Danjon) eclipse.gsfc.nasa.gov ↗
- ৬ESA Science & Technology — Lunar eclipse overview (nodes, refraction, reddish light) sci.esa.int ↗
- ৭timeanddate.com — Eclipse visibility by city timeanddate.com ↗
কৃতজ্ঞতা
- তথ্য যাচাই: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬